শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:২৪ পূর্বাহ্ন

এবার গঠিত হলো কণ্ঠশিল্পী পরিষদ

নিউজ ডেস্ক : গীতিকবি ও মিউজিক কম্পোজাররা এক ছাতার নীচে এসে সংঘবন্ধ হয়েছেন আগেই। এবার ঐক্যবদ্ধ হলেন কন্ঠশিল্পীরাও। গঠন করলেন ‘কণ্ঠশিল্পী পরিষদ, বাংলাদেশ’ নামে নতুন সংগঠন। মূলত নিজেদের ন্যায্য পাওনা ও নৈতিক, আর্থিক অধিকার সংরক্ষণেই তার এই ঐক্যবদ্ধ হওয়া। ও সংগীতে নৈরাজ্য বন্ধে

সংগঠনে আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন দেশবরেণ্য সংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে আছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিতৎ ওগায়ক হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল। এক ইমেল বার্তায় জানানো হয়েছে এই তিন জনের সমন্বয়ে একটি পূর্নাঙ্গ আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটিতে উপদেষ্টামণ্ডলীতে আছেন দেশবরেণ্য কণ্ঠশিল্পী ও সঙ্গীতের পুরোধা ব্যক্তিত্ব সৈয়দ আবদুল হাদী, নিয়াজ মোহাম্মদ চৌধুরী, খুরশীদ আলম, ইন্দ্রমোহন রাজবংশী, রফিকুল আলম, ফকির আলমগীর, লিনু বিল্লাহ, শাহীন সামাদ, পাপিয়া সারোয়ার, ফেরদৌস আরা, তপন মাহমুদ, ফাতেমা তুজ জোহরা, আবিদা সুলতানা ও ইয়াকুব আলী খান।

নির্বাহী সদস্য হিসেবে আছেন ফাতেমা তুজ জোহরা, আবিদা সুলতানা, সাদি মহম্মদ,কিরণ চন্দ্র রায়, তপন চৌধুরী, ফাহমিদা নবী, সামিনা চৌধুরী, রুমানা মোরশেদ কনকচাঁপা, আসিফ আকবর, অদিতি মহসিন, খায়রুল আনাম শাকিল, শফি মন্ডল, রবি চৌধুরী, এস আই টুটুল, আগুন, আঁখি আলমগীর, চন্দন সিনহা, দিনাত জাহান মুন্নী,অনিমা রায়, প্রিয়াংকা গোপ, মঈদুল ইসলাম খান শুভ, জয় শাহরিয়ার, কিশোর দাস, সোমনুর মনির কোনাল, ইলিয়াস হোসাইন।

দু’মাসের অক্লান্ত চেষ্টার ফসল এই ঐক্য। এমন মন্তব্য করে পরিষদের আহবায়ক রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা বলেন, কণ্ঠশিল্পী সংস্থা বাংলাদেশ গঠিত হওয়ার মাধ্যমে সঙ্গীতাঙ্গনে এক বৃহৎ ঐক্যের দুয়ার খুলে গেল। সময়ের প্রতিকূলতার কারণে অনেকের সাথেই যোগাযোগ সম্ভম হয়নি। আমরা এজন্যে কমিটিতেগুরুত্বপূর্ন কণ্ঠশিল্পীদের অন্তর্ভূক্তি উন্মুক্ত রেখেছি।’

যুগ্ম আহবায়ক কুমার বিশ্বজিৎ বলেন, “বিগত দিনে আমরা সংগীতের অনেক গুণীজনকে হারিয়েছি। তাঁদের প্রতি আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা। করোনাকালে বছরের প্রায় অর্ধেক সময় কর্মহীন পার করে হাঁপিয়ে উঠেছেন শিল্পীসমাজ। কণ্ঠশিল্পীদের আয়ের প্রধান মাধ্যম স্টেজ, আর সে স্টেজ শো আজ বন্ধ। এ বাস্তবতা সংঘবদ্ধভাবেই মোকাবেলা করতে হবে। একথা সত্য আমাদের দেশের বরেণ্য শিল্পীরা গানকে ভালোবেসে সৃষ্টিতেই মগ্ন থাকেন। তাঁরা অর্থের দিকে কখনোই ধাবিত হন নাই। কিন্তু নিজের সৃষ্টির প্রাপ্য অন্যের ঘরে দীর্ঘদিন ধরে চলে যাওয়ায় তা বন্ধে ঐক্যের প্রয়োজন।

একজন সৃষ্টিশীল মানুষের সৃষ্টি তাঁর এবং তাঁর পরবর্তী প্রজন্মের জন্যে একমাত্র সম্পদ। তা সংরক্ষণে আমরা বদ্ধপরিকর। শিল্পীরা চান তাঁদের সৃষ্টির যোগ্যতা নিয়ে স্বাবলম্বী হতে। এই স্বপ্নকে সামনে রেখে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী দেশের অগ্রজ এবং নবীন প্রগতিশীল কন্ঠশিল্পীদের সংগঠিত করে আমরা সজ্ঞানে, সুচিন্তিত মতামতের ভিত্তিতে, সংগঠন গঠন করতে পারায় সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানাই ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগীতায় :বাংলা থিমস| ক্রিয়েটিভ জোন আইটি