সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম
রিটার্ন জমার সময় বাড়ানো হয়েছে ডিআরইউ’র সভাপতি নোমানী, সম্পাদক মসিউর কোম্পানীগঞ্জে তথ্য প্রযুক্তি আইনে এক ব্যক্তি গ্রেফতা সাতক্ষীরা প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় সমূহের এমপিও ভুক্তির দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে লাইসেন্সবিহীন হাসপাতাল বন্ধ ঘোষণার নির্দেশ, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও জরিমানা এডিপি বাস্তবায়নে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি জাতীয় অগ্রগতির হারের চেয়ে বেশি রানীশংকৈল রামরায় দিঘীতে অতিথি পাখির আগমনে মুখরিত মুন্সীগঞ্জে বাংলাদেশ কালেক্টরেট সহকারী সমিতি পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি ভাস্কর্য অপসারণের নামে দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত প্রতিহত করুন -তথ্য প্রতিমন্ত্রী বিনামূল্যে ৩ কোটি করোনার টিকা দেওয়া হবে: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

অভিযোগ অনেক সাড়া কম ইসির

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচন ঘিরে জমা হচ্ছে প্রার্থীদের অভিযোগের পাহাড়। এরই মধ্যে মেয়র ও কাউন্সিলর পদপ্রার্থীরা একে অপরের বিরুদ্ধে জমা দিয়েছেন ৩১টি অভিযোগ। ৪১ ওয়ার্ডের বেশিরভাগে বিদ্রোহী থাকায় কাউন্সিলর প্রার্থীদের কাছ থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এসেছে সবচেয়ে বেশি। অভিযোগ আসছে মেয়র প্রার্থীদের কাছ থেকেও। মন্ত্রী-এমপিরা প্রভাব খাটিয়ে আওয়ামী লীগদলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন- নির্বাচন কমিশনে এমন অভিযোগ দিয়েছে বিএনপি। আবার প্রতিদ্বন্দ্বী কাউন্সিলর প্রার্থীর হামলায় নেতাকর্মীরা রক্তাক্ত হয়েছেন বলে অভিযোগও গেছে। তবে অভিযুক্ত কারও বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত শাস্তিমূলক কোনো ব্যবস্থা নেয়নি ইসি। ইসির অ্যাকশন শুধু সতর্ক করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এতে বাড়ছে হামলা-পাল্টা হামলা। উত্তপ্ত হচ্ছে নির্বাচনী পরিবেশও।
রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান বলেন, বিদ্রোহী প্রার্থী বেশি থাকায় অভিযোগ আসছে বেশি। বেশিরভাগ অভিযোগই পোস্টার ছেঁড়া ও প্রচারে বাধা দেওয়ার। হামলা-পাল্টা হামলার অভিযোগও আছে। কিছু অভিযোগের সত্যতা পাইনি। ৩১টি অভিযোগের মধ্যে ১৩টির ব্যাপারে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ১৮টির সমাধান করা হয়েছে। অনেককে এ ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে। একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এর পরও যদি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ আসে, তখন কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জানা গেছে, বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনের পক্ষে আওয়ামী লীগদলীয় প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। ডা. শাহাদাত হোসেনের হয়ে নাগরিক ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব অধ্যাপক নসরুল কবির অভিযোগ করেন, ‘সরকারি সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগিয়ে মন্ত্রী-এমপিরা দলীয় প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরীর পক্ষে নানা কৌশলে ভোট চাচ্ছেন। দলীয় সভাতেও অংশ নিচ্ছেন তারা।’ ডা. শাহাদাতের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট আবদুল্লাহ আল নোমান অভিযোগ করেন, ‘নির্বাচনী প্রচার কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে ধানের শীষের প্রার্থীকে। পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। গণসংযোগেও বাধা আসছে।’ তবে এ দুটি অভিযোগের মধ্যে প্রথমটির কোনো সত্যতা পায়নি ইসি। দ্বিতীয় অভিযোগের ব্যাপারে সংশ্নিষ্ট থানাগুলোকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
ডা. শাহাদাত হোসেন এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘একাধিক অভিযোগ দেওয়ার পরও নির্বাচন কমিশন থেকে সন্তোষজনক কোনো অ্যাকশন দেখিনি। এ অবস্থা চলতে থাকলে নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিঘ্নিত হবে।’
এ বিষয়ে রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, আমার জানামতে, বিএনপিদলীয় প্রার্থী ৪১ ওয়ার্ডেই নির্বিঘ্নে গণসংযোগ করছেন। আমার সঙ্গেও ডা. শাহাদাতের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আছে। রাজনীতির খাতিরে হয়তো কিছু অভিযোগ তিনি দিয়েছেন। এসবের সত্যতা আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখবে নির্বাচন কমিশন।’

নিউজটি শেয়ার করুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২০ বাঙলার জাগরণ
কারিগরি সহযোগীতায় :বাংলা থিমস| ক্রিয়েটিভ জোন আইটি